পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যাপ্টার “বল“। এই অধ্যায় থেকে প্রতি বছর বোর্ডে সৃজনশীল এবং নৈবত্তিক প্রশ্ন আসে, আর সেজন্যই আজকের পোস্টে থাকছে পদার্থবিজ্ঞান ৩য় অধ্যায় এর বেশকিছু গাণিতিক সমস্যাবলি নিয়ে তৈরি করা পিডিএফ নোট- ২য় পর্ব। আশাকরি নোটটি সবাই ভালো করে অধ্যায়ন করে নতুন কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন।
পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যাপ্টার “বল“। এই অধ্যায় থেকে প্রতি বছর বোর্ডে সৃজনশীল এবং নৈবত্তিক প্রশ্ন আসে, আর সেজন্যই আজকের পোস্টে থাকছে পদার্থবিজ্ঞান ৩য় অধ্যায় এর বেশকিছু গাণিতিক সমস্যাবলি নিয়ে তৈরি করা পিডিএফ নোট- ১ম পর্ব। আশাকরি নোটটি সবাই ভালো করে অধ্যায়ন করে নতুন কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন। ২য় পর্বের নোট খুবই শিগগিরই প্রকাশিত হবে এবং সেটার নোটিফিকেশান ইমেইলে পেতে নিচের ফরমটি পূরণ করে রাখুন
ভরবেগের সূত্র হতে নৌকা হতে কেউ লাফ দিলে নৌকা কোন দিকে কত বেগে যাবে তা নির্ণয়
রাইফেল ও গুলির অংকে ভরবেগের সূত্র দ্বারা সমাধান
কোনো বস্তুর ভর ও তার উপর নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী বল প্রয়োগ করা হলে তার শেষবেগ নির্ণয়
বলের ঘাত ও ভরবেগের পরিবর্তনের সম্পর্ক ব্যাবহার সংক্রান্ত গাণিতিক সমস্যাবলি ও সমাধান
নির্দিষ্ট ভরের কোনো বস্তুর আদিবেগ দেওয়া থাকলে তা নির্দিষ্ট দূরত্বে থামাতে হলে প্রয়োজনীয় বল নির্ণয় সংক্রান্ত গাণিতিক সমস্যাবলি ও সমাধান
বিগত বছরের বোর্ড ও স্কুল পরীক্ষায় আসা বেশকিছু গাণিতিক সমস্যাবলি ও সমাধান যা অধ্যায়ন করার মাধ্যমে তোমরা এই অধ্যায় থেকে কী ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে তার সুস্পষ্ট ধারণা পাবে
সবশেষে রয়েছে “একটি বস্তুর ভর দ্বিগুণ ও বেগ একচতুর্থাংশ করা হলে ভরবেগের অনুপাত কত হবে” -এই নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের ব্যাখামূলক সমাধান
এবং ” একটি আপেল গাছ থেকে পড়ে গেলে তা পৃথিবীর দিকে আস কিন্তু পৃথিবী আপেলের দিকে যায় না কেন?”- এই প্রশ্নের ব্যাখামুলক সমাধান
Keep Faith in your work and that faith will help you achieve success in life
বাংলা ভাষা গােড়াপত্তনের যুগে স্বল্প সংখ্যক শব্দ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও নানা ভাষার সংস্পর্শে এসে এর শব্দ সম্ভার বহুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে তুর্কি আগমন ও মুসলিম শাসন পত্তনের সুযােগে ক্ৰমে প্রচুর আরবি ও ফারসি শব্দ বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদে পরিণত হয়েছে। এরপর এলাে ইংরেজ। ইংরেজ শাসনামলেও তাদের নিজস্ব সাহিত্য এবং সংস্কৃতির বহু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ লাভ করে। বাংলা ভাষা ঐ সব ভাষার শব্দগুলােকে আপন করে নিয়েছে। এভাবে বাংলা ভাষায় যে শব্দসম্ভারের সমাবেশ হয়েছে, সেগুলােকে পণ্ডিতগণ কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন। যেমন – ১. তৎসম শব্দ ২. তদ্ভব শব্দ ৩. অর্ধ-তৎসম শব্দ ৪. দেশি শব্দ ৫. বিদেশি শব্দ। আগের পর্বে আমরা উৎসমূলক শ্রেণীবিভাগ এর বেশ কয়েকটি শব্দ মনে রাখার টেকনিক আলোচনা করেছিলাম আর আজকে বাকিগুলো আলোচনায় থাকবে।
(i) ধর্ম সংক্রান্ত: ঈমানদার ইসলাম ওযু, গোসল করে এবং হাদিস কুরআন, জাকাত, তসবি পড়ার পর কোরবানি ও হজ করে। হারাম-হালাল আল্লাহর পথ মেনে তওবা করলে জান্নাত লাভ ও কিয়ামত, জাহান্নাম থেকে মুক্তি সম্ভব।
(ii) প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ: উকিল, মুক্তার, মুন্সেফ, মক্কেল কিতাব, কানুন, কলম ও দোয়াত নিয়ে মহকুমা আদালতের এজলাসে বসে রাউ খারিজ করেন। ঈদের দিনে আলেম, এলেম, ইনসান বলে মুসাফির লেবুর ব্যবসায় লোকসান আছে, বাকির ওপর কেচ্ছা, দালালি বাদ দিয়ে নগদ দাও
ফারসি শব্দ মনে রাখার টেকনিক
(i)ধর্মসংক্রান্ত: খোদা বলেন, নামাজ ও রোজা আদায় না করলে গুনাহ হবে এবং ফেরেশতা তাকে বেহেস্তে না পাঠিয়ে দোজখে পাঠাবেন+ পয়গম্বর।
(ii)প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ: বাদশার দরবারে জবানবন্দিতে মেথর ও তার বেগম বলেন তারই বান্দা ১০ তারিখে দোকানের চশমা, কারখানার তোষক, দৌলত, রশদ চুরি করে দফতরে দস্তখত দিয়ে অন্যের বিরুদ্ধে নালিশ করেছে।
(iii)বিবিধ: বদমাশির নমুনাস্বরুপ আদমি জিন্দা জানোয়ার রপ্তানি করে হাঙ্গামা আমদানি করে।
পারিভাষিক শব্দ : বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে
অম্লজান(oxygen)
উদযান(hydrogen)
নথি( file)
প্রশিক্ষণ(training)
ব্যবস্থাপক(manager)
বেতার(radio)
মহাব্যবস্থাপক(general manager)
সচিব(secretary )
স্নাতক(graduate)
স্নাতকোত্তর(post graduate)
সমাপ্তি (final)
সাময়িকী(periodical)
সমীকরণ(equation)
বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার শব্দসম্ভার দেশী বিদেশী সংস্কৃতি যে ভাষা থেকে আসুক না কেন এখন তা বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পত্তি এগুলো ভাষার সঙ্গে এমন ভাবে মিশে গেছে যে বাংলা থেকে আলাদা করে দেব চিন্তা কথা চিন্তাই করা যায় না। ২টি পর্বের মাধ্যমে আমরা মোটামুটি ভাবে শব্দের উৎস মূলক শ্রেণীবিভাগ এর মনে রাখার টেকনিক আলোচনা করেছি। আর শব্দের গঠন মূলক শ্রেণীবিভাগ এবং অর্থমূলক শ্রেণীবিভাগ মনে রাখার টেকনিক নিয়ে খুব শীঘ্রই আমাদের পোস্ট আসবে ইনশাল্লাহ।তার আপডেট পেতে নিচের ফর্ম ফিল আপ করে ফেলো
বাংলা ভাষা গােড়াপত্তনের যুগে স্বল্প সংখ্যক শব্দ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও নানা ভাষার সংস্পর্শে এসে এর শব্দ সম্ভার বহুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে তুর্কি আগমন ও মুসলিম শাসন পত্তনের সুযােগে ক্ৰমে প্রচুর আরবি ও ফারসি শব্দ বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদে পরিণত হয়েছে। এরপর এলাে ইংরেজ। ইংরেজ শাসনামলেও তাদের নিজস্ব সাহিত্য এবং সংস্কৃতির বহু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ লাভ করে। বাংলা ভাষা ঐ সব ভাষার শব্দগুলােকে আপন করে নিয়েছে। এভাবে বাংলা ভাষায় যে শব্দসম্ভারের সমাবেশ হয়েছে, সেগুলােকে পণ্ডিতগণ কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন। যেমন – ১. তৎসম শব্দ ২. তদ্ভব শব্দ ৩. অর্ধ-তৎসম শব্দ ৪. দেশি শব্দ ৫. বিদেশি শব্দ। আর আজকের পোস্টে থাকবে এই শব্দগুলো মনে রাখার ছন্দ নিয়ে।
তৎসম শব্দ মনে রাখার টেকনিক:
ধর্ম মতে চন্দ্র সূর্য নক্ষত্র মনুষ্য সবকিছুই পণ্ডিতের সৃষ্টি।
রাজার আদেশে বৈষ্ণব চর্মকার তার কুৎসিত গৃহিণীর শ্রাদ্ধ জ্যোৎস্নারাতে সম্পন্ন করে নিজ নিজ হস্তে শ্রদ্ধার পাত্র ভরে ভবনে রেখে আসে
তদ্ভব শব্দ মনে রাখার টেকনিক: চামারের হাতে জুতাজোড়া দেখেছ কি?
অর্ধ তৎসম শব্দ মনে রাখার টেকনিক: জ্যোছনারাতে বোষ্টম কুচ্ছিত গিন্নির ছেরাদ্দ করেন।
দেশি শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ গঞ্জের এক কুড়ি বছর বয়সী মেয়ের বর টোপর মাথায় দিয়ে পেটের জ্বালায় চুলা কুলা ডাব ও ঢেঁকি নিয়ে পালালো
পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ গির্জার পাদ্রী চাবি দিয়ে গুদামের আলমারি খুলে ধেকি, পেঁপে, পেয়ারা, আলপিন, আলকাতরা রাখলেন এবং কেরানি দিয়ে কামরা পরিষ্কার করে জানালা খুলে দিলেন
ফরাসি শব্দ মনে রাখার টেকনিক: কার্তুজ রেঁস্তোরা ডিপোতে কুপন পাওয়া যাবে।
ওলন্দাজ শব্দ মনে রাখার টেকনিক: ওলন্দাজরা ইশকাপনের টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন দিয়ে তাস খেলে।
গুজরাটি শব্দ মনে রাখার টেকনিক: গুজরাটি খদ্দেররা হরতাল করেছে।
তুর্কি শব্দ মনে রাখার টেকনিক: চাকরকে দারোগা চাকু ও তোপ মেরেছে।
চিনা শব্দ মনে রাখার টেকনিক: চিনারা চিনি ছাড়া চা খায়
মায়ানমার(বার্মিজ) শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ মায়ানমারের ফুঙ্গিরা লুঙ্গি পড়ে
জাপানি শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ জাপানে রিকশা ও হারিকিরি পাওয়া যায়।
ইংরেজি শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ
(i)অনেকটা ইংরেজি উচ্চারণেঃ ইউনিয়নের টিনের ঘরের ছেলে ব্যাগে পেন্সিল নিয়ে স্কুলে যায়। কলেজ ইউনিভার্সিটি’তে সবাই লাইব্রেরীতে বই পড়ে নোট আর পাউডার দিয়ে দাগ কেটে মাঠে মাস্টারদের মধ্যে ফুটবল খেলা হয়
প্রিয় নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা করোনার এই সময়ে স্কুল বন্ধ থাকলেও তোমাদের পড়াশুনা যাতে বন্ধ না থাকে সেজন্য আমরা এই ওয়েবসাইটে প্রতিদিন পোস্ট করার মাধ্যমে তোমাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করছি। আর বরাবরের মতো আজকেও আমরা পোস্ট নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। আমাদের আজকের টপিক থাকবে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের ২০২০ সালের সকল বোর্ডের সি কিউ প্রশ্ন।
এসএসসি পরীক্ষা হোক না হোক তার জন্য প্রিপারেশন রাখাটাই সবচেয়ে ভালো হবে। তার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো বিগত বছরগুলো বোর্ড প্রশ্ন সমাধান করা। আর আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ২০২০ সালের সকল বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর তোমাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের নিমিত্তে আমাদের আজকের পোস্টে থাকবে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের ২০২০ সালের সকল বোর্ড সি.কিউ প্রশ্ন । আমরা আশা করছি এই প্রশ্নগুলোর সমাধান করার মাধ্যমে নিজের প্রস্তুতিটা যাচাই করতে পারবে।
পদার্থবিজ্ঞানের মতো অন্যান্য বিষয়ের ২০২০ সালের বোর্ড প্রশ্ন(M.C.Q & C.Q) এবং উত্তর আপলোড হবে আমাদের এই ওয়েবসাইটেই৷। তাই আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখো এবং এর মাধ্যমে পড়াশোনার জন্য উপকৃত হতে পারবে ইনশাল্লাহ। আর আমাদের পোস্টের রেগুলার আপডেট ই-মেইলের মাধ্যমে পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করে যথাযথ তথ্যের মাধ্যমে ফরমটি ফিল-আপ করুন।
রসায়ন বইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টপিক “জারণ-বিজারণ”। এই টপিক থেকে প্রতি বছর বোর্ডে সৃজনশীল এবং নৈবত্তিক প্রশ্ন আ্সে, আর সেজন্যই আজকের পোস্টে থাকছে জারণ-বিজারণ এর বেশকিছু বিক্রিয়া নিয়ে তৈরি করা পিডিএফ নোট। আশাকরি নোটটি সবাই ভালো করে অধ্যায়ন করে নতুন কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন।
তাই আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখো এবং এর মাধ্যমে পড়াশোনার জন্য উপকৃত হতে পারবে ইনশাল্লাহ।আর আমাদের পোস্টের রেগুলার আপডেট ই-মেইলের মাধ্যমে পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করে যথাযথ তথ্যের মাধ্যমে ফরমটি ফিল-আপ করুন।
পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যাপ্টার “গতি“। এই অধ্যায় থেকে প্রতি বছর বোর্ডে সৃজনশীল এবং নৈবত্তিক প্রশ্ন আছে, আর সেজন্যই আজকের পোস্টে থাকছে পদার্থবিজ্ঞান ২য় অধ্যায় এর বেশকিছু গাণিতিক সমস্যাবলি নিয়ে তৈরি করা পিডিএফ নোট- ২য় পর্ব। আশাকরি নোটটি সবাই ভালো করে অধ্যায়ন করে নতুন কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন।
পুরো নাম জোসেফ রবিনেট বাইডেন জুনিয়র, জো বাইডেন হিসেবে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে দুই মেয়াদে কাজ করেন। ১৯৭৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ডেলাওয়ার থেকে সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জন্ম: বাইডেনের জন্ম ১৯৪২ সালের ২০ নভেম্বর পেনসিলভানিয়ার স্ক্রানটনে। স্ক্রানটন, নিউ ক্যাসল কাউন্টি ও ডেলাওয়ারে তাঁর বেড়ে ওঠা। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় তিনি।
বাবা-মা: বাবা জোসেফ রবিনেট বাইডেন সিনিয়র, মা ক্যাথরিন ইউজেনিয়া ফিনেগান। তাঁর মা আইরিশ বংশোদ্ভূত।
শিক্ষা: বাইডেন ডেলাওয়ার ইউনিভার্সিটিতে ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেন। পরে তিনি সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে ডিগ্রি নেন।
পরিবার: সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় বাইডেন ১৯৬৬ সালের নিলিয়া হান্টারকে বিয়ে করেন। তাঁদের ঘরে তিন সন্তান রয়েছেন—জোসেফ আর ‘বিউ’ বাইডেন, রবার্ট হান্টার ও নাওমি ক্রিস্টিনা। নিলিয়াকে তিনি বলেছিলেন, ৩০ বছর বয়সের মধ্যে সিনেটর হওয়ার স্বপ্ন তাঁর। সিনেটর হওয়ার পর তাঁর লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়া। ১৯৭২ সালে বড় দিনের আগে ক্রিসমাস ট্রি কিনতে গিয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিলিয়া নিহত হন। পরে ১৯৭৩ সালে বাইডেন জিল ট্রেসি জ্যাকবকে বিয়ে করেন। তাঁদের ঘরে অ্যাশলে ব্লেজার নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
রাজনৈতিক জীবন: ১৯৭০ সালে ডেলাওয়ারের নিউ ক্যাসল কাউন্টির কাউন্সিলম্যান নির্বাচিত হন জো বাইডেন। এরপর তাঁকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয় তাঁর। ১৯৭২ সালের নভেম্বরে তৎকালীন জনপ্রিয় রিপাবলিকান সিনেটর স্যালেব বগসের বিপক্ষে ডেমোক্রেটিক দল থেকে প্রার্থী হন তিনি। তারপর নাম লেখান ইতিহাসে। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী পঞ্চম সিনেটর নির্বাচিত হন।’ ৭৩ থেকে টানা ২০০৯ সাল পর্যন্ত সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
১৯৮৭ সালে একবার ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে প্রেসিডেনশিয়াল প্রাইমারিতে লড়ার ঘোষণা দেন বাইডেন। তবে অসুস্থতার কারণে ১৯৮৮ সালে প্রাইমারির শুরুতে ক্ষান্ত দেন তিনি। ২০০৭ সালে আবার প্রেসিডেন্ট পদে দলীয় প্রাইমারিতে নামেন। সেই যাত্রায় তিনি বারাক ওবামা আর হিলারি ক্লিনটনের বিপক্ষে তেমন সুবিধা করতে পারেননি। পরে ২০০৮ সালে ওবামা তাঁকে রানিংমেট হিসেবে বেছে নেন। ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০: ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল এক ভিডিওবার্তায় বাইডেন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলীয় প্রাইমারিতে লড়াইয়ের আভাস দেন। দলীয় প্রাইমারিতে ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটর কমলা হ্যারিস (যিনি তাঁর বর্তমান রানিংমেট), ভারমন্টের সিনেটর উদারপন্থী বার্নি স্যান্ডার্স, ম্যাসাচুসেটসের এলিজাবেথ ওয়ারেন, পেটি বুটেগিগ, অ্যামি ক্লুবেচারকে পেছনে ফেলে তিনি ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেন। ৪৬ তম আমেরিকার নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে প্রেসিডেণ্ট নির্বাচিত হন।