Category: বাংলা

  • আঠারো বছর বয়সএইচএসসি-২০২৬(hsc-2026) একনজরে

    আঠারো বছর বয়স

    সুকান্ত ভট্টচার্য

    ………………………………………………………………………………..

    আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ
    স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,
    আঠারো বছর বয়সেই অহরহ
    বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি।

    আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়
    পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা,
    এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়−
    আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা।

    এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
    বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে,
    প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য
    সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।

    আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর
    তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা,
    এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর
    এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।

    আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার
    পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান,
    দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার
    ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ।

    আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে
    অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো,
    এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
    এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো।

    তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি,
    এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে,
    বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী
    এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।

    এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়
    পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে,
    এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়−
    এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।।

    মূলভাব:

    সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে| এ কবিতায় কবি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন| কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়সটি উত্তেজনার, প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেবার উপযোগী | এ বয়স অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপদকে পেরিয়ে যাওয়ার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার জন্য প্রস্তুত| এদের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া, আঘাত-সংঘাতের মধ্যে রক্তশপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া| পাশাপাশি সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতে হয়ে উঠতে পারে এরা ভয়ংকর |
    কিন্তু এ বয়সের আছে সমস্ত দুর্যোগ আর দুর্বিপাক মোকাবিলা করার অদম্য প্রাণশক্তি। ফলে তারুণ্য ও যৌবনশক্তি দুর্বার বেগে এগিয়ে যায় প্রগতির পথে। যৌবনের উদ্দীপনা, সাহসিকতা, দুর্বার গতি, নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন এবং কল্যাণব্রত- এসব বৈশিষ্ট্যের জন্য কবি প্রত্যাশা করেছেন নানা সমস্যাপীড়িত দেশে তারুণ্য ও যৌবনশক্তি যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত |

    কবি পরিচিতি

    নামসুকান্ত ভট্টাচাৰ্য
    জন্ম১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট। তাঁর পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়।
    কাব্যগ্রন্থ‘ছাড়পত্র’ ‘ঘুম নেই’, ‘পূর্বাভাস’
    উল্লেখযোগ্য কর্ম
    ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘের পক্ষে ‘আকাল’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন। তিনি ‘দৈনিক স্বাধীনতা’র কিশোরসভা অংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সুকান্ত তাঁর কাব্যে অন্যায়-অবিচার ও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন।
    মৃত্যু১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই মে মাত্র একুশ বছর বয়সে

    🟢 This Post Written & Credit by : Piyush Saha

  • ধ্বনিতত্ব- বাংলা ব্যাকরণ। সহজে মনে রাখার টেকনিক। SSC Bangla 2nd Paper Chapter 2

    ধ্বনিতত্ব- বাংলা ব্যাকরণ। সহজে মনে রাখার টেকনিক। SSC Bangla 2nd Paper Chapter 2

    সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
    আসসালামু আলাইকুম। আমাদের আজকের পোস্টে থাকছে বাংলা ব্যাকরণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ধ্বনিতত্বের উপর তৈরি করা হ্যান্ডনোট। এই হ্যান্ডনোটে বইয়ের ১২পৃষ্ঠার অধ্যায়কে সহজ এবং সাবলীল ভাষায় মাত্র ৩ পৃষ্ঠায় উপস্থাপন করা হয়েছে। হ্যান্ডনোটটি শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা পরীক্ষায় কমন আসতে পারে তা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আশাকরি হ্যান্ডনোটটি তোমাদের কাজে লাগবে। হ্যান্ডনোটটি পৃষ্ঠার নিচের দিকে স্ক্রল করে দেখতে পারবে অথবা হ্যান্ডনোটের উপরে ডান ক্লিক করে নিউ ট্যাবে ওপেন করতে পারবে।

    🟢 This Post Written & Credit by : Piyush Saha

  • বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়(হ্যান্ডনোট)। মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক। SSC Bangla 2nd Paper Chapter 1

    বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়(হ্যান্ডনোট)। মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক। SSC Bangla 2nd Paper Chapter 1

    ❓❓বর্ণের বিন্যাস ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়??
    উত্তরঃ ধ্বনিতত্ব। ✍️✍️ বর্ণের বিন্যাস এর অপর নাম ধ্বনির প্রতীক এবং নিচের নোটে বর্ণিত টেকনিক দ্বারা আমরা পাই যে ধ্বনি সংক্রান্ত সকল বিষয় ধ্বনিতত্বের আলোচ্য বিষয়। তাই, বর্ণের বিন্যাস ধ্বনিতত্বের আলোচ্য বিষয়

    ❓❓এক কথায় প্রকাশ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়??
    উত্তরঃ বাক্যতত্ব/পদক্রম। ✍️✍️ এক কথায় প্রকাশ এর অপর নাম বাক্য সংকোচন। আর নিচের হ্যান্ডনোটে বর্ণিত টেকনিক থেকে আমরা পাই যে বাক্য/পদ থাকলেই তা বাক্যতত্বের আলোচ্য বিষয়। তাই এক কথায় প্রকাশ বাক্যতত্বের আলোচ্য বিষয়।

    ❓❓বিপরীতার্থ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়??
    উত্তরঃ অর্থতত্ব। ✍️✍️ বিপরীতার্থ= বিপরীত+অর্থ। আর নিচের হ্যান্ডনোটে বর্ণিত টেকনিক থেকে আমরা পাই যে অর্থ যুক্ত থাকলেই তা অর্থতত্বের আলোচ্য বিষয়। তাই বিপরীতার্থ অর্থতত্বের আলোচ্য বিষয়।

    ❓❓উপসর্গ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়??
    উত্তরঃ শব্দতত্ব বা রূপতত্ব। ✍️✍️নিচের হ্যান্ডনোটে বর্ণিত টেকনিক থেকে আমরা পাই যে ধ্বনিতত্ব, বাক্যতত্ব ও অর্থতত্বের আলোচ্য বিষয় ব্যতীত আর যত বিষয় আছে তা শব্দতত্বের আলোচ্য বিষয়। তাই উপসর্গ অর্থতত্বের আলোচ্য বিষয়।

    🔰পরীক্ষায় এমন সব প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর নিমেষেই দিতে এখনই নিচের হ্যান্ডনোটটি ভালো করে অধ্যায়ন করে ফেলো।

    🟢 This Post Written & Credit by : Piyush Saha

  • তৎসম, তদ্ভব অর্ধ-তৎসম,দেশি ওবিদেশি শব্দ মনে রাখার উপায়(ছন্দ আকারে)-২য়পর্ব ২০২৫

    তৎসম, তদ্ভব অর্ধ-তৎসম,দেশি ওবিদেশি শব্দ মনে রাখার উপায়(ছন্দ আকারে)-২য়পর্ব ২০২৫

    বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডার

    বাংলা ভাষা গােড়াপত্তনের যুগে স্বল্প সংখ্যক শব্দ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও নানা ভাষার সংস্পর্শে এসে এর শব্দ সম্ভার বহুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে তুর্কি আগমন ও মুসলিম শাসন পত্তনের সুযােগে ক্ৰমে প্রচুর আরবি ও ফারসি শব্দ বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদে পরিণত হয়েছে। এরপর এলাে ইংরেজ। ইংরেজ শাসনামলেও তাদের নিজস্ব সাহিত্য এবং সংস্কৃতির বহু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ লাভ করে। বাংলা ভাষা ঐ সব ভাষার শব্দগুলােকে আপন করে নিয়েছে। এভাবে বাংলা ভাষায় যে শব্দসম্ভারের সমাবেশ হয়েছে, সেগুলােকে পণ্ডিতগণ কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন। যেমন – ১. তৎসম শব্দ ২. তদ্ভব শব্দ ৩. অর্ধ-তৎসম শব্দ ৪. দেশি শব্দ ৫. বিদেশি শব্দ। আগের পর্বে আমরা উৎসমূলক শ্রেণীবিভাগ এর বেশ কয়েকটি শব্দ মনে রাখার টেকনিক আলোচনা করেছিলাম আর আজকে বাকিগুলো আলোচনায় থাকবে।

    আরবি শব্দ মনে রাখার টেকনিক:

    (i) ধর্ম সংক্রান্ত: ঈমানদার ইসলাম ওযু, গোসল করে এবং হাদিস কুরআন, জাকাত, তসবি পড়ার পর কোরবানি ও হজ করে। হারাম-হালাল আল্লাহর পথ মেনে তওবা করলে জান্নাত লাভ ও কিয়ামত, জাহান্নাম থেকে মুক্তি সম্ভব।

    (ii) প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ: উকিল, মুক্তার, মুন্সেফ, মক্কেল কিতাব, কানুন, কলম ও দোয়াত নিয়ে মহকুমা আদালতের এজলাসে বসে রাউ খারিজ করেন। ঈদের দিনে আলেম, এলেম, ইনসান বলে মুসাফির লেবুর ব্যবসায় লোকসান আছে, বাকির ওপর কেচ্ছা, দালালি বাদ দিয়ে নগদ দাও

    ফারসি শব্দ মনে রাখার টেকনিক

    (i)ধর্মসংক্রান্ত: খোদা বলেন, নামাজ ও রোজা আদায় না করলে গুনাহ হবে এবং ফেরেশতা তাকে বেহেস্তে না পাঠিয়ে দোজখে পাঠাবেন+ পয়গম্বর।

    (ii)প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ: বাদশার দরবারে জবানবন্দিতে মেথর ও তার বেগম বলেন তারই বান্দা ১০ তারিখে দোকানের চশমা, কারখানার তোষক, দৌলত, রশদ চুরি করে দফতরে দস্তখত দিয়ে অন্যের বিরুদ্ধে নালিশ করেছে।

    (iii)বিবিধ: বদমাশির নমুনাস্বরুপ আদমি জিন্দা জানোয়ার রপ্তানি করে হাঙ্গামা আমদানি করে।

    পারিভাষিক শব্দ : বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে

    অম্লজান(oxygen)উদযান(hydrogen)নথি( file)
    প্রশিক্ষণ(training)ব্যবস্থাপক(manager)বেতার(radio)
    মহাব্যবস্থাপক(general manager)সচিব(secretary )স্নাতক(graduate)
    স্নাতকোত্তর(post graduate)সমাপ্তি (final)সাময়িকী(periodical)
    সমীকরণ(equation)

    বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার শব্দসম্ভার দেশী বিদেশী সংস্কৃতি যে ভাষা থেকে আসুক না কেন এখন তা বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পত্তি এগুলো ভাষার সঙ্গে এমন ভাবে মিশে গেছে যে বাংলা থেকে আলাদা করে দেব চিন্তা কথা চিন্তাই করা যায় না। ২টি পর্বের মাধ্যমে আমরা মোটামুটি ভাবে শব্দের উৎস মূলক শ্রেণীবিভাগ এর মনে রাখার টেকনিক আলোচনা করেছি। আর শব্দের গঠন মূলক শ্রেণীবিভাগ এবং অর্থমূলক শ্রেণীবিভাগ মনে রাখার টেকনিক নিয়ে খুব শীঘ্রই আমাদের পোস্ট আসবে ইনশাল্লাহ।তার আপডেট পেতে নিচের ফর্ম ফিল আপ করে ফেলো

    🟢 This Post Written & Credit by : Piyush Saha

  • তৎসম, তদ্ভব অর্ধ-তৎসম,দেশি ওবিদেশি শব্দ মনে রাখার উপায়(ছন্দ আকারে)-১ম পর্ব ২০২৫

    তৎসম, তদ্ভব অর্ধ-তৎসম,দেশি ওবিদেশি শব্দ মনে রাখার উপায়(ছন্দ আকারে)-১ম পর্ব ২০২৫

    বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডার

    বাংলা ভাষা গােড়াপত্তনের যুগে স্বল্প সংখ্যক শব্দ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও নানা ভাষার সংস্পর্শে এসে এর শব্দ সম্ভার বহুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে তুর্কি আগমন ও মুসলিম শাসন পত্তনের সুযােগে ক্ৰমে প্রচুর আরবি ও ফারসি শব্দ বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদে পরিণত হয়েছে। এরপর এলাে ইংরেজ। ইংরেজ শাসনামলেও তাদের নিজস্ব সাহিত্য এবং সংস্কৃতির বহু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ লাভ করে। বাংলা ভাষা ঐ সব ভাষার শব্দগুলােকে আপন করে নিয়েছে। এভাবে বাংলা ভাষায় যে শব্দসম্ভারের সমাবেশ হয়েছে, সেগুলােকে পণ্ডিতগণ কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন। যেমন – ১. তৎসম শব্দ ২. তদ্ভব শব্দ ৩. অর্ধ-তৎসম শব্দ ৪. দেশি শব্দ ৫. বিদেশি শব্দ। আর আজকের পোস্টে থাকবে এই শব্দগুলো মনে রাখার ছন্দ নিয়ে।

    তৎসম শব্দ মনে রাখার টেকনিক:

    • ধর্ম মতে চন্দ্র সূর্য নক্ষত্র মনুষ্য সবকিছুই পণ্ডিতের সৃষ্টি।
    • রাজার আদেশে বৈষ্ণব চর্মকার তার কুৎসিত গৃহিণীর শ্রাদ্ধ জ্যোৎস্নারাতে সম্পন্ন করে নিজ নিজ হস্তে শ্রদ্ধার পাত্র ভরে ভবনে রেখে আসে

    তদ্ভব শব্দ মনে রাখার টেকনিক: চামারের হাতে জুতাজোড়া দেখেছ কি?

    অর্ধ তৎসম শব্দ মনে রাখার টেকনিক: জ্যোছনারাতে বোষ্টম কুচ্ছিত গিন্নির ছেরাদ্দ করেন।

    দেশি শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ গঞ্জের এক কুড়ি বছর বয়সী মেয়ের বর টোপর মাথায় দিয়ে পেটের জ্বালায় চুলা কুলা ডাব ও ঢেঁকি নিয়ে পালালো

    পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ গির্জার পাদ্রী চাবি দিয়ে গুদামের আলমারি খুলে ধেকি, পেঁপে, পেয়ারা, আলপিন, আলকাতরা রাখলেন এবং কেরানি দিয়ে কামরা পরিষ্কার করে জানালা খুলে দিলেন

    ফরাসি শব্দ মনে রাখার টেকনিক: কার্তুজ রেঁস্তোরা ডিপোতে কুপন পাওয়া যাবে।

    ওলন্দাজ শব্দ মনে রাখার টেকনিক: ওলন্দাজরা ইশকাপনের টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন দিয়ে তাস খেলে।

    গুজরাটি শব্দ মনে রাখার টেকনিক: গুজরাটি খদ্দেররা হরতাল করেছে।

    তুর্কি শব্দ মনে রাখার টেকনিক: চাকরকে দারোগা চাকু ও তোপ মেরেছে।

    চিনা শব্দ মনে রাখার টেকনিক: চিনারা চিনি ছাড়া চা খায়

    মায়ানমার(বার্মিজ) শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ মায়ানমারের ফুঙ্গিরা লুঙ্গি পড়ে

    জাপানি শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ জাপানে রিকশা ও হারিকিরি পাওয়া যায়।

    ইংরেজি শব্দ মনে রাখার টেকনিকঃ

    (i)অনেকটা ইংরেজি উচ্চারণেঃ ইউনিয়নের টিনের ঘরের ছেলে ব্যাগে পেন্সিল নিয়ে স্কুলে যায়। কলেজ ইউনিভার্সিটি’তে সবাই লাইব্রেরীতে বই পড়ে নোট আর পাউডার দিয়ে দাগ কেটে মাঠে মাস্টারদের মধ্যে ফুটবল খেলা হয়

    আফিমস্কুলহাসপাতাল
    অফিসবাক্সবোতল
    (ii)পরিবর্তিত উচ্চারণে

    আজকের পর্বে এ পর্যন্তই এবং পরবর্তী পর্বে আরো বেশকিছু শব্দ মনে রাখার টেকনিক আলোচনায় থাকবে এবং তার আপডেট পেতে নিচের ফর্ম ফিল আপ করে ফেলো

    🟢 This Post Written & Credit by : Piyush Saha

  • উপসর্গ মনে রাখার কৌশল-২য় পর্ব (বাংলা ব্যাকরণ)- SSC, HSC, ADMISSION TEST

    উপসর্গ মনে রাখার কৌশল-২য় পর্ব (বাংলা ব্যাকরণ)- SSC, HSC, ADMISSION TEST

     সবাইকে স্বাগতম উপসর্গ নিয়ে আলোচনার ২য় পর্বে। উপসর্গ ১ম পর্বে আলোচনা হয়েছিল বাংলা উপসর্গ, সংস্কৃত উপসর্গ ও বিদেশি উপসর্গ মনে রাখার টেকনিক নিয়ে। আর আজকের আলোচনায় থাকছে বাংলা এবং সংস্কৃত উপসর্গ দ্বারা গঠিত শব্দ মনে রাখার টেকনিক নিয়ে।

    বাংলা উপসর্গ ২১টি এবং সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি। আর এর মাঝে ৪টি(আ,সু,বি,নি)উপসর্গ বাংলা ও সংস্কৃত উভয় ভাষায়ই রয়েছে। 👉আগের পর্বে আলোচিত ছন্দ দ্বারা ভাষানুযায়ী উপসর্গ মনে রাখলে তা দ্বারা গঠিত শব্দ খুব সহজেই চেনা যায়।❓কিন্তু এর মাঝে ৪টি(আ,সু,বি,নি) উপসর্গ যা বাংলা ও সংস্কৃত উভয় ভাষায়ই রয়েছে তা দ্বারা গঠিত শব্দ চেনার জন্য একটু ঝামেলা হয়।

    ◾নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে আ,সু,বি,নি উপসর্গ দ্বারা গঠিত ৪৯টি শব্দ(বাংলা+ সংস্কৃত) রয়েছে। তাই আ,সু,বি,নি উপসর্গ দ্বারা গঠিত বাংলা শব্দের ২৫টি উদাহরণ মনে রাখলেই বাকি ২৪টি শব্দ সংস্কৃত হিসেবে সহজেই মনে রাখা সম্ভব। তাই এখানে বাংলা আ,সু,বি,নি উপসর্গ দ্বারা গঠিত শব্দ মনে রাখার টেকনিক দেওয়া হলোঃ

    ★★★বাংলা ‘আ’ ও ‘বি’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দঃ বিকাল, বিভুঁই, আঁকাড়া, আচালা, আছাঁকা, আধোয়া, আলুনি, বিফল, বিকল, আকাঠা, আগাছা, আকাশ, বিনামা, বিপথ
    ⚫মনে রাখার টেকনিকঃ একদিন বিকালে বিভুঁই আঁকাড়া, আচালা, আছাঁকা ও আধোয়া চাল দিয়ে আলুনি খিচুড়ি রান্নার বিফল চেষ্টা করে বিকল হয়ে আকাঠা ও আগাছা নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বিনামা হয়ে বিপথে হাঁটা দিল

    ★★★বাংলা ‘সু’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দঃসুমনা, সুমন, সুনজর, সুখবর, সুদিন, সুকাজ, সুনাম
    ⚫মনে রাখার টেকনিকঃ সুমনা সুমনের প্রতি সুনজর দেওয়ার সুখবর শুনে সুদিন দেখে সুকাজ সেরে সুনামের আশা করলো।

    ★★★বাংলা ‘নি’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দঃ নিদয়, নিলাজ, নিরেট, নিখুঁত, নিভাজ, নিখোঁজ
    ⚫মনে রাখার টেকনিকঃ নিদয় নামের নিলাজ লোকটি নিরেট প্লেটে নিখুঁতভাবে খেয়ে নিভাজ পেটে নিখোঁজ হলেন

    আজকের আলোচনা এ পর্যন্তই থাকছে। পরবর্তী আলোচনায় থাকবে নতুন কোনো গুরুত্বপূর্ণ টপিক। এই পোস্ট উপকারে আসলে নিজের বন্ধুদের কাছেও শেয়ার করো। আর আমাদের পোস্টের রেগুলার আপডেট ই-মেইলের মাধ্যমে পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করে যথাযথ তথ্যের মাধ্যমে ফরমটি ফিল-আপ করুন।

    🟢 This Post Written & Credit by : Piyush Saha

  • উপসর্গ মনে রাখার কৌশল-১ম পর্ব (বাংলা ব্যাকরণ)

    উপসর্গ মনে রাখার কৌশল-১ম পর্ব (বাংলা ব্যাকরণ)

    সবাইকে স্বাগতম, আমাদের আজকের পোস্টে থাকছে বাংলা ২য় পত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টপিক উপসর্গ নিয়ে যাবতীয় আলোচনা। প্রতি বছর বোর্ড পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে কমপক্ষে ১টা প্রশ্ন আসতে দেখা যায়,তাই আমরা আশা করছি তোমরা আজকের পোস্টটা গুরুত্ব সহকারে পড়বে এবং কাজে লাগাবে। মোট ২টা পোস্টের মাধ্যমে উপসর্গ অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সব আলোচনা কাভার করা হবে ইনশাআল্লাহ

    ⬛উপসর্গ হলো অব্যয় বা অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অর্থবোধক স্বাধীন শব্দের পূর্বে বসে আগের স্বাধীন শব্দের অর্থের পরিবর্তন করে।
    ★★★উপসর্গের অর্থবাচকতা(নিজের অর্থ) নেই কিন্তু অর্থদোত্যকতা(অন্য শব্দের পূর্বে বসে ঐ শব্দের অর্থ পরিবর্তন করার ক্ষমতা) রয়েছে। উপসর্গ তিন প্রকারঃ

    • বাংলা উপসর্গ,
    • সংস্কৃত উপসর্গ
    • বিদেশি উপসর্গ(আরবি,ফারসি,হিন্দি ইত্যাদি)

    ★বাংলা উপসর্গ(২১টি): সু, হা, স, আ, নি, বি, অজ, ভর, সা, অ, অনা, কু, আড়, আব, ঊন, পাতি, কদ, আন, ইতি, অঘা, রাম
    মনে রাখার ছন্দঃ সুহাস, আদর নিবি। তুই অজপাড়ার ভরসা বলে অনেকে অনাচার,কুকথা ও আড়চোখে দেখে। আবডালের ঊনত্রিশটি পাতিলেবু ও কদবেল আনবি।
    ইতি– অঘারাম

    ★সংস্কৃত উপসর্গঃ(২০টি) অপি, অনু, অপ, প্রতি, সম, অধি, সু, প্রতি, অতি, উৎ, পরা, নির, বি, পরি, দূর, উপ, অব, অভি, আ, নি
    মনে রাখার ছন্দঃ অপি ও অনু অপরের প্রতি সম অধিকার সু–প্রতিষ্ঠায় অতি উৎসাহে পরায়নির বিপরিতে দূর উপনিবেশে অবরোধ,অভিযান আনিয়েছে।

    ★বিদেশি উপসর্গঃ
    আরবি উপসর্গঃ আম খাস লা গর
    ফারসি উপসর্গঃ নিম ফি বে দর কার বদ না কম বর ব
    হিন্দি উপসর্গঃ হর

    আজকের আলোচনা এ পর্যন্তই থাকছে। পরবর্তী আলোচনায় থাকবে বাংলা এবং সংস্কৃত উপসর্গ দ্বারা গঠিত শব্দ মনে রাখার টেকনিক।

     

    🟢 This Post Written & Credit by : Piyush Saha

  • বিভিন্ন সাহিত্যিকদের জীবনী ও সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার ছন্দ-১ম পর্ব

    বিভিন্ন সাহিত্যিকদের জীবনী ও সৃষ্টিকর্ম মনে রাখার ছন্দ-১ম পর্ব

    সায়েন্স, কমার্স, আর্টসের পড়ার চাপে বাংলা, ইংরেজি পড়ার সময়ই পাওয়া মুশকিল। তাই প্রতিবছর বেশিরভাগ স্টুডেন্ট খারাপ করে এই সাবজেক্টগুলোয়। তাই আজকের আলোচনায় আমরা বাংলা ১ম পত্র নিয়ে পড়ালেখা করবো।বাংলা ১ম পত্রের কবি সাহিত্যিকদের রয়েছে অনেক গল্প, প্রবন্ধ যা মনে রাখার জন্য মুখস্ত করার চেয়ে ছন্দ আকারে মনে রাখা অনেক সহজ!! তাই,এইটাই আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়

    নৈর্ব্যক্তিক হোক বা জ্ঞানমূলক, বিভিন্ন সাহিত্যিকদের জীবনী খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতগুলো সাহিত্যিকের এতগুলো রচনা মনে রাখার সমাধান পেয়ে যাবেন নিচের ছবিগুলোতে। আর আপনি যদি স্মার্টফোনের মাধ্যমে এখানে এসে থাকেন তাইলে ছবিগুলোর লেখা স্পষ্টভাবে দেখার জন্য স্মার্টফোনটি অটো-রোটেট অপশানের মাধ্যমে রোটেট করে দেখুন

    প্রথমেই থাকছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর রচনাগুলো মনে রাখার ছন্দ

    এবার থাকছে প্রমথ চৌধুরীর রচনাগুলো মনে রাখার ছন্দ

     

    এখন আলোচনা করা হবে কথাসাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায় নিয়ে                    

     

    এবারের আলোচনায় থাকছে অসামান্য প্রতিভাধর সুপণ্ডিত ও ভাষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্

    এখন আলোচনায় থাকছে বাংলা কথাসাহিত্যের ২য় জনপ্রিয় শিল্পী- বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়



    আজকের আলোচনা এখানেই শেষ করছি, পরবর্তীতে থাকবে আরো কিছু সাহিত্যিকদের জীবনী ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনা। ততক্ষণ পর্যন্ত সকলের সুস্থতা কামনা করেই বিদায় নিচ্ছি।

    আর আমাদের পোস্টের রেগুলার আপডেট ই-মেইলের মাধ্যমে পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করে যথাযথ তথ্যের মাধ্যমে ফরমটি ফিল-আপ করুন।

    🟢 This Post Written & Credit by : Piyush Saha